জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল ।


 জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। মর্যাদা বোঝাতে মহান আল্লাহ এ দিনগুলোর কসম খেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শপথ প্রভাতের। শপথ দশ রাতের।’
                                          (সুরা : ফাজর, আয়াত : ১-২)

এখানে যে ১০ রাতের কথা বলা হয়েছে, তা হলো জিলহজের প্রথম ১০ রাত।
                                                                                           (তাফসিরে ইবনে কাসির, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৫৩৫)

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন সম্পর্কে রাসুল (সা:) বলেছেন, আল্লাহর নিকট জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল অন্য সকল দিনের আমলের চেয়ে অধিক প্রিয়। তখন  সাহাবিরা  রাসুল (সা:)কে জিজ্ঞাসা করলেন , হে আল্লাহর রাসুল আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাও কি এই ১০ দিনের আমলের চেয়ে উত্তম নয়? আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাও উত্তম নয়। তবে ঐ ব্যক্তি ছাড়া যে তার সর্বস্ব দিয়ে জিহাদে অংশ গ্রহন করল এবং কিছই ফিরে আসল না।

জিলহাজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমলঃ


১।আল্লাহর জিকির বেশি বেশি করা। এই দিন গুলোতে আল্লাহর জিকির বেশি বেশি করতে হবে ।

২।সাধারন নেক আমল কে গুরত্ত দেওয়া ।অর্থাৎ আমাদের প্রতিদিনের যে আমল আছে তা পালন করা । ৫ অয়াক্ত নামাজ জামায়াতের সঙ্গে আদায় করার চেষ্টা করা।

৩।গুনাহ থেকে বাঁচা । পাপের কাজ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করা ।

৪। সামর্থ্য থাকলে হাজ্জ অথবা ওমরা করা।

৫। আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহাজ্জ মাসের ৯ তারিখ রোজা রাখা।আরাফার দিন রোজা রাখা খুবই গুরত্ত  পূর্ণ । এই দিন রোজা রাখলে রোজাদারের গত ১ বছরের গুনাহ এবং আগামী ১ বছরের গুনাহ আল্লাহ মাফ করে দিবেন। 

৬।প্রথম ১০ দিনে নফল রোজা রাখা। এই দিন গুলোতে রোজা রাখা খুবই পুণ্যময়।

৭।জিলহাজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সাথে সাথেই যে ব্যক্তি কুরবানি দেওয়ার ইচ্ছে করবে সে তার চুল, দাঁড়ি ও নখ না কাটা মুস্তাহাব।

৮। তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা : জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাজ থেকে নিয়ে ১৩ তারিখের আসরের নামাজ পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।
নারী পুরুষ সবার জন্য  ফরজ নামাজের পর এই তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।

এ তাকবির একবার পাঠ করবে। তাকবিরে তাশরিক হলো, ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

৯। দশম দিনে সামর্থ্য থাকলে কুরবানি করা।।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ