আল্লাহ যে ৭ শ্রেণীর ব্যক্তিকে ভালোবাসেন।।

 

সমান্নিত পাঠক বৃন্দ ,  আশা করি সবাই আল্লাহ পাকের মেহেরবানি ও দয়ায় সকলে ভালো আছেন।

একজন মুসলমানের  সবচে বড় পাওয়া হল আল্লাহ পাকের ভালবাসা। আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা । যারা আল্লাহর প্রতি ইমান এনেছে সবচে কঠিন ভাবে তারা আল্লাহ কে ভালো বাসে।

আল্লাহ আমাদের সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা।এই কথা যদি আমাদের অন্তর দিয়ে আমরা বিশ্বাস করতাম তবে আল্লাহর প্রতি ভালবাসা স্বয়ংক্রিয় ভাবেই হয়ে যেত। তবে আমাদের ইমান দুর্বল হওয়ায় কারনে আমরা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করতে পারি না। আমরা আল্লাহর ভালবাসা থেকে বঞ্চিত হই ।

আল্লাহ তায়ালা নিজে কুরআন শরীফে ঘোষণা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি কাদের কে ভালবাসেন। চলুন আজ আমরা তাদের সম্পর্কে  জানি এবং তাদের দল ভুক্ত হওয়ার চেষ্টা করি।

১। মুহসিন ব্যক্তিকে। যার মধ্যে ইহসান আছে তাকে মুহসিন বলে। অর্থাৎ আল্লাহর প্রত্যেক বান্দার সাথে সকল কাজ সুন্দর ভাবে শেষ করা ।কোন মানুষ কে কষ্ট না দেওয়া ।মা বাবার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ও ইহসান। আবার প্রতিবেসির সাথে ভালো ব্যাবহার করাও ইহসান।

২।মুত্তাকী ব্যক্তি কে আল্লাহ ভালবাসেন।কুরানুল কারিমে ৩ স্থানে আল্লাহ তায়ালা এই ভালো বাসার ঘোষণা  দিয়েছেন । যে ব্যক্তি তার ওয়াদা পুরন করেন । ওয়াদার বাতিক্রম করে নি , এবংআল্লাহর ভয়ে তাকওয়া অবলম্বন করেছে আল্লাহ তাদের কে ভালোবাসেন। অর্থাৎ আল্লাহ মুত্তাকী ব্যক্তিদের ভালবাসেন।

৩। যে ব্যক্তির মাঝে ইন্সাফের গুন আছে। ন্যায় ও নিষ্ঠার গুন আছে ,যারা অন্যায় করে না ,অবিচার করে না ,সঠিক বিচার করে।মানুষের প্রতি  সুবিচার করে আল্লাহ তাদের কে ভালোবাসেন। 

 ৪। বেশি বেশি তওবাকারি কে আল্লাহ ভালবাসেন। যারা বেশি বেশি তওবা করে তাদের কে আল্লাহ ভালবাসেন। তওবা করলে মানুষ নিস্পাপের মত হয়ে যায়।আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কে তওবা কারীদের অন্তর্ভুক্ত কুরুন।

৫। সঠিক ভাবে পবিত্রতা অর্জন কারীদের ভালবাসেন। সকল অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকে ।আল্লাহ উত্তম ভাবে পবিত্রিতা অর্জন কারীদের  ভালোবাসেন। শিরক থেকে বেঁচে থাকা ,ফরজ গোসল সঠিক ভাবে করা।অজু ভেঙ্গে তা আবার পবিত্রতা অর্জন করা।

৬। আল্লাহ সবর কারীদের অর্থাৎ আল্লাহ ধৈর্যশীল দের ভালবাসেন। যত অন্যায় আছে সে গুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখাও এক ধরনের সবর । দুঃখ কষ্টের সময় আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রেখে সবর করতে হবে। 

৭। আল্লাহর উপর ভরসা কারীদের আল্লাহ ভালবাসেন। অর্থাৎ আল্লাহ আমার জন্য যা করবেন তা ই আমার জন্য ভালো হবে এটার উপর ভরসা রাখা।

প্রিয় পাঠক আমরা চেষ্টা করব এই গুন গুলো আমাদের মাঝে বাস্তবায়ন করতে।।




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ