যশোরে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ভিতরে তিন কিশোর খুন হওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ আশরাফ হোসেন বলেন, কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক সহ আরও ৯ জন কে পুলিসি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ সুর করেছে পুলিশ।
পুলিশ প্রাথমিক ভাবে ধারনা করে বলছে উন্নয়ন কেন্দ্রের ভিতরে খাওয়া দাওয়া সহ কিছু নিয়মের বিসএ আগে থেকেই কিছু অসন্তুষ্টি ছিল এই কিশোর দের ।তার জেরেই এই হত্যা কাণ্ড হতে পারে বলে ধারনা দিচ্ছে পুলিশ।
তাছারা এই কেন্দ্রের ভিতরে কর্তৃপক্ষের দুটি দল আছে ।তাদের পরস্পরের সংঘর্ষেও এই ঘটনা ঘটতে পারে ও বলে ধারনা করছেন পুলিশ।
মিঃ হোসেন সংবাদ মাধ্যম কে জানান, ঠিক কি কারনে এই হত্যা কাণ্ড ঘতল,কারা প্রহার করল কারা অভিযুক্ত ছিল , কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি ছিল কিনা এই সকল কিছু খতিয়ে দেখতে তারা ৯ জন কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এবং তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার পুলেরহাট এলাকায় ওই শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হয়। তারপর তাদের কে যশোরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয় ।এবং হাসপাতালে ৩ জনের নিহতের কথা শুনে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়।
এদিকে নিহত দের পরিবারের সদস্যরা আজকে উন্নয়ন কেন্দ্রে আসবেন এবং মামলা দায়ের করবেন।তারপর তদন্তের কাজ আরও দ্রুত করা হবে বলে জানিয়েছেন মিঃ হোসেন।
এদিকে আহতদের অভিযোগ শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কয়েক জন সদস্যরা তাদের ভীষণ ভাবে মারার কারনে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
তবে এই ব্যাপারে কোন কর্মকর্তা কোন মন্তব্য করে নি।
মিঃ হোসেন বলেন, এই উন্নয়ন কেন্দ্র টি ২৫ বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭৭ জন কিশোর আছে ।তারা প্রত্যেকেই কোন না কোন মামলার আসামি।
যারা মারা গেছে তাদের দুই জন খুনের ও ১ জন ধর্ষণ মামলার আসামি বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।


0 মন্তব্যসমূহ
ধন্যবাদ আমাদের পোস্ট পড়ার জন্য । আপনার মূল্যবান মন্তব্য জানিয়ে ফলো করে আমাদের পাশে থাকুন।